সৌর প্যানেলের দাম কত জেনে নিন

 

সোলার প্যানেল - সোলার প্যানেল এর দাম এর ছবি

সোলার প্যানেল কি

সোলার প্যানেল এর অর্থ সৌর প্যানেল। যাকে বাংলা ভাষায় সৌর বিদ্যুৎ বলে থাকি। আর সোলার প্যানেল এর থেকে উৎপন্ন বিদ্যুৎ কে সৌর বিদ্যুৎ বলি। সোলার প্যানেল হল ফোটোভোলটাইক সিস্টেম দ্বরা উৎপাদিত এক প্রকারের বিদ্যুৎ তৈরির ব্যবস্থা। যা সূর্যের আলোক রশ্মির মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। এটি বাইরের কোনো ধরনের জ্বালানি ছাড়াই বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে সক্ষম একটি প্রযুক্তি। যা সম্পূর্ণ জীবাশ্ম জ্বালানি ছাড়াই বাসা বাড়িতে, কল কারখানা গুলোতে নিরবিচ্ছিন্ন বিদ্যুৎ দেয়। এটি একটি দেশ ও অঞ্চলের জ্বলানি বাঁচায়। এর ব্যাপক ব্যবহার এর ফলে তেল, গ্যাস, ইত্যাদি জ্বালানোর মাধ্যমে যে বিশ্ব উষ্ণায়ন হয় তা এটি প্রতিরোধ করতে পারে। একটি সুন্দর পৃথিবী গড়তে এর ভূমিকা অপরিসীম ও অপরিহার্য। 

আরও পড়ুন: 👆ক্যাশ অন ডেলিভারি (Cod) মানে কি

প্রকারভেদ কি কি 

সোলার প্যানেল এর প্রধান উপাদান হল সৌর কোষ বা সিলিকন। সোলার প্যানেল বা সৌর প্যানেল দুই প্রকারের হয়ে থাকে। 

  1. ১. মোনো ক্রিস্টালাইন। 
  2. ২. পলি ক্রিস্টালাইন। 

১. মোনো ক্রিস্টালাইন: মোনো ক্রিস্টালাইন হল একক কোষ দ্বরা উৎপাদিত সোলার প্যানেল। মোনো ক্রিস্টালাইন solar panel গুলো প্রচন্ড উত্তাপে ও ভালো বিদ্যুৎ তৈরি করে দেয়। তাই এর জনপ্রিয়তা একটু বেশি। 

২. পলি ক্রিস্টালাইন: পলি ক্রিস্টালাইন হল একাধিক কোষ দ্বরা উৎপাদিত বিদ্যুৎ তৈরির ব্যবস্থা। এটার আকার ও কর্মদক্ষতা মোনো ক্রিস্টালাইন solar panel থেকে কম। তাই এর দাম ও কম এবং এর জনপ্রিয়তা ও কম।

সোলার প্যানেল এর মূল অংশ ১০টি 

সোলার প্যানেলের মূল অংশের কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ রয়েছে: যেমন: সোলার সেল, সংযোজন প্লেট, ফ্রেম, গ্লাস, জাংশন বক্স, ও কেবিলিং। এই মূল অংশগুলি সমন্বয় করে সোলার প্যানেল তৈরি হয়।

একটি solar panel এর ভিতরে এবং বাইরে কিছু গুরুত্বপূর্ণ অংশ থাকে। এগুলো কে মূল অংশ বলে থাকি। সোলার প্যানেল এর মূল অংশ ১০টি যথা: এগুলো একটি সৌর প্যানেল এর প্রধান অংশ। এগুলো ছাড়া সোলার প্যানেল এর কাজ কল্পনা করা যায় না। 

  1. ১. ফোটোভোলটাইক মডিউল গুলোর একটি অ্যারে।
  2. ২. একটি ইনভার্টার
  3. ৩. বিদ্যুৎ সংগ্ৰহের জন্য একটি ব্যাটারি
  4. ৪. চার্জ কন্ট্রোলার
  5. ৫. আন্তঃসংযোগ তার
  6. ৬. সার্কিট ব্রেকার
  7. ৭. ফিউজ
  8. ৮. সংযোগ বিচ্ছিন্ন অন ও অফ সুইচ
  9. ৯. ভোল্টেজ মিটার
  10. ১০. সৌর বিদ্যুৎ ট্রাকিং প্রক্রিয়া 

কীভাবে কাজ করে 

সোলার প্যানেল সিলিকন সেল্স দিয়ে তৈরি হয়। সোলার প্যানেল সূর্যের এনার্জি ব্যবহার করে বৈদ্যুতিক শক্তি উৎপাদন করে। সোলার প্যানেল গুলো ফোটোভোলটাইক সৌর কোষ দ্বারা বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। এই প্রক্রিয়া গুলো যেভাবে সোলার প্যানেল এর দ্বারা সৌর বিদ্যুৎ তৈরি করে তার কাজ নিচে দেওয়া হল: 

সোলার প্যানেল গুলো সৌর কোষ দ্বারা তৈরি হয়েছে। সোলার প্যানেল গুলোর মধ্যে থাকে অনেক গুলো সৌর কোষ। আর এই সৌর কোষ গুলো সিলিকন দিয়ে তৈরি হয়। ফোটোভোলটাইক হল সৌর কোষ গুলোর সমষ্টি। আবার সৌর কোষ গুলো সিলিকন দ্বারা তৈরিকৃত পাতলা আবর। যার ফলে সূর্যের আলো যখন এর উপর আসে তখন ফোটোভোলটাইজ মডিউল গুলো ফোটোভোলটাইজ প্রক্রিয়ায় সূর্যের আলোক রশ্মি থেকে ফোটন নিয়ে আলো কে বিদ্যুৎতে রুপান্তরিত করে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। 

যখন সোলার প্যানেল বিদ্যুৎ উৎপাদন করে ফেলে তখন নিচে থাকা আন্তঃসংযোগ তার লাইট, ফ্যান, ও অন্যান্য সকল ইলেকট্রনিক পন্য চালু হয়ে যায়। বিদ্যুৎ সংগ্ৰহের জন্য একটি ব্যাটারি থাকে যেন এই বিদ্যুৎ পরবর্তী ব্যবহার করা যায়। কারণ সোলার প্যানেল শুধু সূর্যের আলোতেই বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারে। তাই রাতে এই বিদ্যুৎ চালানোর জন্য ব্যাটারি ব্যবহার করা হয়। 

Solar panel এর কাজ কি 

সৌর প্যানেল এর কাজ হল সূর্যের রশ্মির মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। এটি সম্পূর্ণ সূর্যের আলোর উপর নির্ভর করে কতটুকু বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। সোলার প্যানেল একটি একক মালিকানাধীন একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র। সৌর প্যানেল বা সোলার প্যানেল গুলো কে এক বার সেট আপ করে দিলে এটা নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে।

এর কার্যক্ষমতা সৌর প্যানেল এর কত ওয়াট এর উপর নির্ভর করে। এর ওয়াট যদি বেশি হয় তাহলে ঐ সৌর প্যানেল বিদ্যুৎ বেশি দিবে আবার যদি solar panel কম ওয়াট এর হয় তাহলে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও কম হবে। বিদ্যুৎ সরবরাহ ও কম পাওয়া যাবে। 

সোলার প্যানেল এর ইতিহাস 

সৌর বিদ্যুৎ এর এই প্রযুক্তির প্রেক্ষাপট বেশ পুরনো। এটি অনেক অনেক দিন আগের কথা, যখন প্রথম আলেকজান্দ্র - এডমন্ড বেকারেল ১৮৩৯ সালে সূর্যের আলো দিয়ে বৈদ্যুতিক চার্জ তৈরির জন্য কাজ করেন এবং এর মাধ্যমে বিদ্যুৎ উৎপাদন পর্যবেক্ষণ করেন। তবে সেই সময় এই প্যানেল গুলো খুব অকার্যকর ছিল। এরপর উইলবিবি স্মিথ দেখেন যে যেকোনো জিনিসের উপর আঘাত করলেই গরম হয়ে যাচ্ছে এবং শক্তি উৎপাদন করছে। স্মিথের এই উদ্ভাবন এর পর উইলিয়াম গ্ৰিলস অ্যাডমস রিচার্ড ইভান্স ডে দুজনে মিলে সেলেনিয়াম অন লাইটের অ্যাকশন প্রকাশ করেছিল। 

এরপর চলে নানা ধরনের গবেষণা এবং পরীক্ষা। তবে সৌর বিদ্যুৎ সর্বপ্রথম ১৮৮১ সালে বানিজ্যিক ভাবে বাজারে আসে সোলার প্যানেল এবং এর বিক্রি শুরু হয়। আর ১৯৩৯ সালে সৌর বিদ্যুৎ এর মূল উপকরণ সৌর সেল ডিজাইন করেছিলেন রাসেল ওহল। এর থেকে ধাপে ধাপে বিভিন্ন ভাবে সৌর বিদ্যুৎ গুলো উন্নতি লাভ করেছিল। তবে বর্তমানে আমরা অত্যাধুনিক সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করছি এবং ব্যবহার করছি।

সৌর প্যানেল এর সুবিধা ও অসুবিধা 

সোলার প্যানেল এর সুবিধা ও অসুবিধা দুটিই রয়েছে। যেহেতু সৌর প্যানেল সূর্যের আলোতে বিদ্যুৎ উৎপাদন করে। তাই যেসকল স্থানে বা অঞ্চলে সারা দিন সূর্যের আলো পাওয়া যায়। সেই সকল স্থানে বা অঞ্চলে বিদ্যুৎ উৎপাদন কম বেশি হবে। এছাড়াও সোলার প্যানেল বিভিন্ন ধরনের সুফল যেমন দিতে পারে আবার অনেক এর মাধ্যমে কুফল ও দিতে পারে। তবে সোলার প্যানেল এর মাধ্যমে আমাদের সুখ, স্বাচ্ছন্দ্য লাভ করতে হলে এর সুবিধার দিকে দেখতে হবে এবং অসুবিধা কে পাস কাটিয়ে চলতে হবে। তাহলে চলুন সোলার প্যানেল এর সুবিধা ও অসুবিধা জেনে নেওয়া যাক:

সুবিধা সমুহ 

১. সোলার প্যানেল গুলো একক মালিকানাধীন একটি বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যবস্থা। যার ফলে অন্য কারো হস্ত থাকে। যে কোন সময় বিদ্যুৎ চলে যাওয়ার ভয় থাকে। স্বাধীনভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারি এবং এটা ব্যবহার করতে পারি। 

২. প্রতিকূল পরিবেশে ব্যাটারির চার্জ করার মাধ্যমে অন্য যেকোনো সময় বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারব।

৩. সোলার প্যানেল গুলোর আয়ুয়াঙ্কাল ২৫ থেকে ৩০ বছর হয়ে থাকে। যার ফলে ২৫ থেকে ৩০ নিরবিচ্ছিন্ন ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন ও ব্যবহার করার সুবিধা পেতে পারি। তবে আমরা যদি বিদ্যুৎ উৎপাদন কেন্দ্র থেকে বিদ্যুৎ নেয় তবে ঝড়, বৃষ্টি, এবং প্রতিকূল আবহাওয়াতে বিদ্যুৎ পাওয়া যায় না। আবার অন্য দিকে সোলার প্যানেল এর মাধ্যমে ব্যাটারিতে চার্জ করে নিয়ে সেটা যেকোনো সময় ব্যবহার করতে পারি।

৪. প্রতিকূল পরিস্থিতিতে সংযোগ বিচ্ছিন্ন অন ও অফ সুইচ করে নিজের এবং পরিবারের সকলের সুরক্ষা নিশ্চিত করতে পারি।

৫. চার্জ কন্ট্রোলার এর মাধ্যমে ইচ্ছে মতো চার্জ করে নিয়ে সৌর বিদ্যুৎ অন্য যেকোনো কাজে লাগাতে পারি। যেমন: সেচ দেওয়া।

৬. যে সকল স্থানে বা অঞ্চলে বিদ্যুৎ লাইন যাওয়া সম্ভব নয়। সেখানে এই সোলার প্যানেল দিয়ে খুব সহজেই সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে পারি এবং দুর্গম এলাকায় ও বিদ্যুৎ ব্যবহার করতে পারি। ফলে সকল জায়গায় বিদ্যুৎ দেওয়া যায়। যার ফলে বাংলাদেশ সরকারের উক্তি শেখ হাসিনার উদ্যোগ, ঘরে ঘরে বিদ্যুৎ এই স্লোগান হবে সফল। 

৭. সোলার প্যানেল এর ব্যবহার করার কারণে প্রতি মাসে বিদ্যুৎ বিল দিতে হয় না। 

অসুবিধা সমুহ 

সোলার প্যানেল এর যেমন ভালো দিক গুলো আমরা জানলাম। ঠিক তেমনি সোলার প্যানেল এর অসুবিধা গুলো জানব। সোলার প্যানেল এর বিভিন্ন খারাপ দিক রয়েছে। যেসমস্ত খারাপ দিক গুলো আমাদের জানতে হবে। আমরা সোলার প্যানেল ভালো করে ব্যবহার করতে পারব। তাহলে চলুন সোলার প্যানেল ব্যবহার করার কারণে যেসকল বিপদে আপনি পড়তে পারেন তা আপনাকে জানিয়ে দেয়। 

১. Solar panel এর দাম অনুযায়ী প্রথমে আপনাকে একটি সৌর প্যানেল কিনতে হবে। যা আপনার জন্য অনেক ব্যয় বহুল ও কষ্টসাধ্য ব্যাপার হতে পারে। কারণ একটি বাড়ির জন্য দুই থেকে পাঁচ হাজার টাকার দামের সোলার প্যানেল লাগবে। তবে ব্যাটারি এবং এর সংযোগ তার এর জন্য আনুষঙ্গিক খরচ অনেক বেড়ে যেতে পারে। প্রায় সাত থেকে দশ হাজার টাকা হতে পারে। 

২. ঝড়, বৃষ্ট, মেঘলা আকাশ ইত্যাদির কারণে সোলার প্যানেল এর বিদ্যুৎ উৎপাদন ব্যাহত হতে পারে।

৩. এটি খারাপ হয়ে গেলে এর রক্ষণাবেক্ষণ খরচ বেশি হয়।

৪. Solar panel স্থাপন এর জন্য আলাদা জায়গা প্রয়োজন। তাই যাদের জায়গা কম তাদের জায়গার ঘাটতি দেখা দিতে পারে।

৫. এটির অসুবিধা তেমন কোন খারাপ দিক না থাকলে এর ব্যবহার বেশ জটিল এবং সময় সাপেক্ষ ব্যাপার।

আমরা এতক্ষণ এর এর সুবিধা ও অসুবিধা সমূহ জানলাম।

সোলার প্যানেলের দাম

সোলার প্যানেলের দাম বিভিন্ন ধরনের পন্যের মানের উপর নির্ভর করে। এই মান গুলো হতে পারে; প্যানেলের ব্র্যান্ড, মডেল, ক্ষুদ্র বা বৃহত্তর আকার, সার্টিফিকেশন এবং বিক্রেতার অফার ইত্যাদি। প্রতিটি বিক্রেতা একই প্যানেলের দাম নির্ধারণ করে না। তাদের মধ্যে প্রতিযোগিতামূলক মূল্য নির্ধারণ থাকে। সাধারণত সোলার প্যানেলের দাম কমপক্ষে সর্বনিম্ন বাসা বাড়ির জন্য ২০০০ থেকে শুরু হয়ে থাকে, কিন্তু এটি বৃদ্ধি পাতে পারে যখন এই প্রযুক্তি উন্নতি পায় এবং ব্যবহারকারীর চাহিদা বাড়ে। তবুও সৌর প্যানেল এর প্রাইজ গুলো নিচে দেওয়া হল:

১. 50 ওয়াট সোলার প্যানেল: ৪০০০ - ৫০০০ টাকার মধ্যে হবে। 
২. ২০ ওয়াট: ১৬০০ - ১৭০০ টাকার মধ্যে হবে। 
৩. ২০০ ওয়াট সোলার প্যানেলের: বর্তমান মূল্য অনুযায়ী ১৭০০০ - ১৭৫০০ হতে পারে।
৪. ১০০০ ওয়াট সোলার প্যানেল: ৪৫,০০০ - ৬০,০০০ হাজার টাকার মধ্যে হতে পারে।
৫. ১৫০ ওয়াট solar panel: ৮,০০০ - ৯,০০০ টাকার মধ্যে হতে পারে।
৬. ৫০০০ ওয়াট সোলার প্যানেলের দাম: নয় লক্ষ টাকা উপরে হতে পারে।
৭. ৫৫০ ওয়াট solar panel: bdstall.com এই ওয়েবসাইট থেকে কেনাকাটা করলে এর মূল্য প্রায় ১৭৫০০ টাকা পড়তে পারে।
৮. ৩৩০ ওয়াট: bdstall.com এই ওয়েবসাইট থেকে কিনলে এর মূল্য প্রায় ১৬,০০০ টাকা পড়তে পারে।
৯. ২২০ ওয়াট সোলার প্যানেল: ৪৯,০০০ হাজার টাকা।
১০. ১৫০০ ওয়াট সোলার প্যানেলের দাম: দুই লাখ টাকা উপরে এর প্রাইজ হতে পারে।
১১. ৭০০০ ওয়াট সোলার প্যানেলের: দশ লক্ষ টাকা হতে পারে।
১২. ৩০০০ ওয়াট সোলার প্যানেলের দাম: তিন লাখ টাকার উপরে দাম হতে পারে।
১৩. ১০,০০০ ওয়াট solar panel এর দাম: বারো থেকে তেরো লক্ষ টাকা মধ্যে হতে পারে।
১৪. ৮০০০ ওয়াট সোলার প্যানেল: সাড়ে আট লাখ টাকার উপরে হতে পারে।
১৫. ৩০ ওয়াট সোলার প্যানেল: ১২৮৮০ বাংলাদেশী টাকা।
১৬. ৫০,০০০ ওয়াট সোলার প্যানেলের দাম: ষাট লাখ টাকার উপরে হতে পারে।
১৭. ১৬৫ ওয়াট সোলার প্যানেলের দাম: দারাজে এর মূল ৭৪২৫ থেকে ১১৭১৫ টাকা হতে পারে।
১৮. ১০ ওয়াট solar panel: ৫০০ থেকে ৬০০ টাকা হতে পারে।
১৯. ৩০০ ওয়াট সোলার প্যানেলের: ১৫,০০০ থেকে ১৮০০০ টাকা হতে পারে।
২০. ৬০ ওয়াট সোলার প্যানেল: ২৩,৬৬০ টাকা 
২১. ৩০ ওয়াট সোলার প্যানেল: ১২৮৮০ টাকা হতে পারে।
২২. ৭৫ ওয়াট solar panel: ২৭৩০০ টাকা 
২৩. ১০০ ওয়াট solar panel: bdstall.com এই ওয়েবসাইট থেকে ক্রয় করলে এর মূল্য প্রায় ৪,০০০ টাকা পড়তে পারে।

উপরে উল্লেখিত সোলার প্যানেল এর মূল্য গুলো বিভিন্ন ব্রান্ড এবং দোকানের দেওয়া দামের উপর নির্ভর করে। তাই এই দাম গুলোর সাথে আপনার চাহিদা এবং ব্রান্ড গুলোর সাথে আপনার দাম মিল রেখে আপনার নিজস্ব দাম এবং দামাদামি করে কিনবেন। 

আরও পড়ুন: 👆মাথা ব্যথা কমানোর ১০টি ঔষধের নাম

উপসংহার

সোলার প্যানেল পরিস্থিতি বাস্তবায়নের একটি মাধ্যম হিসাবে মানুষের জীবনে একটি মৌলিক পরিবর্তন তৈরি করতে সাহায্য করতে পারে। এই বিশেষ প্যানেল ব্যবহার করে প্রায় সমস্ত ধরনের অনুষ্ঠান, গৃহস্থালি, পরিবহন, এবং ব্যবসায়িক কার্যাবলীর জন্য বৈদ্যুতিক শক্তি প্রদান করা সম্ভব। তবে সোলার প্যানেল এর ভালো ও খারাপ দিক কে পেছনে ফেলে সুন্দর পৃথিবী গড়ার লক্ষ্যে সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন আরো বেশি বাড়িয়ে তুলতে হবে। 

শেষ কথা: আসা করি আজকের এই প্রতিবেদনটি আপনার খুব ভালো লেগেছে। কারণ আজকের এই প্রতিবেদনটিতে সোলার প্যানেল এর সম্পর্কে আলোচনা করা হয়েছে। যা সম্পূর্ণ জীবাশ্ম জ্বালানির বিপরীতে প্রাকৃতিক ভাবে বিদ্যুৎ উৎপাদন করতে দেয়। আপনার সুস্বাস্থ্য কামনা করছি। আমাদের ওয়েবসাইটে প্রতিদিন তথ্যবহুল প্রতিবেদন প্রকাশ করা হয়, তাই আমাদের ওয়েবসাইটটি নিয়মিত ভিজিট করুন। আসসালামুয়ালাইকুম, ধন্যবাদ। 

এই পোস্টটি পরিচিতদের সাথে শেয়ার করুন

পূর্বের পোস্ট দেখুন পরবর্তী পোস্ট দেখুন
এই পোস্টে এখনো কেউ মন্তব্য করে নি
মন্তব্য করতে এখানে ক্লিক করুন

এই ওয়েবসাইটের নীতিমালা মেনে কমেন্ট করুন। প্রতিটি কমেন্ট রিভিউ করা হয়।

comment url